১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

 
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত “ক্যাশলেস বাংলাদেশ ” বিনির্মাণে অগ্রণী ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখার রোড শো  শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস স্কুল ও কলেজে তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু কিশোর-কিশোরীদের ডিজিটাল আসক্তি কমাতে ক্রীড়া একটি প্রতিষেধক : মোঃ ছানোয়ার হোসেন সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলা শক্তিশালী মাধ্যম….. ছানোয়ার হোসেন পূর্ব পাকিস্তানকে ভাগ করা হয়েছে পাকিস্তানকে দূর্বল করার জন্য … শাহরিয়ার কবীর টাঙ্গাইলে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত কালিহাতী উপজেলা শ্রমিক দলের নতুন কমিটি: সভাপতি আফজাল, সম্পাদক এনামুল 

সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলা শক্তিশালী মাধ্যম….. ছানোয়ার হোসেন

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সামাজিক অবক্ষয় থেকে কিশোর-কিশোরীদের মুক্ত করতে ক্রীড়া বা খেলাধুলা সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম

…………………….সিনিয়র শিক্ষক মো: ছানোয়ার হোসেন

সিনিয়র শিক্ষক , শহিদ বীর উত্তম লে.    আনোয়ার গার্লস স্কুল ও কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ঢাকা।

 

বর্তমানে প্রযুক্তির অপব্যবহার, মাদকাসক্তি, গ্যাং কালচার এবং কিশোর অপরাধের মতো নানা সামাজিক অবক্ষয় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে গ্রাস করছে। এই অন্ধকার পথ থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে সুস্থ, সুন্দর ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মাঠের খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।যেভাবে ক্রীড়া সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ: খেলাধুলা কিশোর-কিশোরীদের শরীর গঠনে সাহায্য করে এবং মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা দূর করে।নেতিবাচক আসক্তি থেকে দূরে রাখা: অবসর সময়ে মাঠে ব্যস্ত থাকলে মোবাইল গেম, পর্নোগ্রাফি এবং মাদকের মতো মারাত্মক আসক্তি থেকে তরুণরা দূরে থাকে।দলগত মনোভাব ও শৃঙ্খলা শিক্ষা: দলগত খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীরা একে অপরকে সম্মান করা, নিয়ম মেনে চলা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করে।অপরাধপ্রবণতা হ্রাস: মাঠের ব্যস্ততা তরুণদের গ্যাং কালচার বা পাড়া-মহল্লার আড্ডাবাজি থেকে দূরে রাখে, যা সরাসরি কিশোর অপরাধ কমিয়ে আনে।সহনশীলতা ও পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা: জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তারা বাস্তব জীবনের কঠিন পরিস্থিতি ও ব্যর্থতা মোকাবেলা করার ধৈর্য পায়।করনীয় পদক্ষেপখেলার মাঠ রক্ষা ও তৈরি: প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ: স্কুল-কলেজে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বার্ষিক ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন বাড়াতে হবে।পারিবারিক সচেতনতা: সন্তানদের শুধু পড়ার টেবিলে বা ঘরের কোণে বন্দি না রেখে প্রতিদিন বিকেলে মাঠে গিয়ে খেলতে উৎসাহিত করতে হবে।

 

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network