১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

 
শিরোনাম
টাঙ্গাইলের বাসাইলে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারকারী ঠিকাদার জাহাঙ্গীর ধরা-ছোঁয়ার বাইরে কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না : প্রতিমন্ত্রী টুকু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কমিটির সাথে উপজেলা কমিটির মত বিনিময় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: টুকু টাঙ্গাইলে ফারুক চেয়ারম্যান হত্যা মামলার রায় ।। বাপ্পা সহ ৩ জনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এনজিওর বই বিতরণ।। সমালোচনার ঝড় কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ তোফাজ্জল হোসেন তুহিন বুক কর্নার’-এর উদ্বোধন দূর্নীতির আখড়া টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস ।। তথ্য দিতে অপারগ।। অশোভন আচরণ বিভুরঞ্জন থেকে পুলক : সাংবাদিকদের জন্য সতর্ক সংকেত ——- রশিদ আব্বাসী

সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলা শক্তিশালী মাধ্যম….. ছানোয়ার হোসেন

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সামাজিক অবক্ষয় থেকে কিশোর-কিশোরীদের মুক্ত করতে ক্রীড়া বা খেলাধুলা সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম

…………………….সিনিয়র শিক্ষক মো: ছানোয়ার হোসেন

সিনিয়র শিক্ষক , শহিদ বীর উত্তম লে.    আনোয়ার গার্লস স্কুল ও কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ঢাকা।

 

বর্তমানে প্রযুক্তির অপব্যবহার, মাদকাসক্তি, গ্যাং কালচার এবং কিশোর অপরাধের মতো নানা সামাজিক অবক্ষয় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে গ্রাস করছে। এই অন্ধকার পথ থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে সুস্থ, সুন্দর ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মাঠের খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।যেভাবে ক্রীড়া সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ: খেলাধুলা কিশোর-কিশোরীদের শরীর গঠনে সাহায্য করে এবং মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা দূর করে।নেতিবাচক আসক্তি থেকে দূরে রাখা: অবসর সময়ে মাঠে ব্যস্ত থাকলে মোবাইল গেম, পর্নোগ্রাফি এবং মাদকের মতো মারাত্মক আসক্তি থেকে তরুণরা দূরে থাকে।দলগত মনোভাব ও শৃঙ্খলা শিক্ষা: দলগত খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীরা একে অপরকে সম্মান করা, নিয়ম মেনে চলা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করে।অপরাধপ্রবণতা হ্রাস: মাঠের ব্যস্ততা তরুণদের গ্যাং কালচার বা পাড়া-মহল্লার আড্ডাবাজি থেকে দূরে রাখে, যা সরাসরি কিশোর অপরাধ কমিয়ে আনে।সহনশীলতা ও পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা: জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তারা বাস্তব জীবনের কঠিন পরিস্থিতি ও ব্যর্থতা মোকাবেলা করার ধৈর্য পায়।করনীয় পদক্ষেপখেলার মাঠ রক্ষা ও তৈরি: প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ: স্কুল-কলেজে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বার্ষিক ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন বাড়াতে হবে।পারিবারিক সচেতনতা: সন্তানদের শুধু পড়ার টেবিলে বা ঘরের কোণে বন্দি না রেখে প্রতিদিন বিকেলে মাঠে গিয়ে খেলতে উৎসাহিত করতে হবে।

 

 

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network