১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

 
শিরোনাম
দূর্নীতির আখড়া টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস ।। তথ্য দিতে অপারগ।। অশোভন আচরণ বিভুরঞ্জন থেকে পুলক : সাংবাদিকদের জন্য সতর্ক সংকেত ——- রশিদ আব্বাসী টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সার্ভিস রুল অমান্য ।। চেয়ার ছাড়ছেন না কালিহাতীর এলজিইডির ইঞ্জিনিয়ার ছানোয়ার জাগো নিউজের সেরা প্রতিবেদক হয়েছেন টাঙ্গাইলের নোমান কালিহাতীর ইউএনও ফারজানা আক্তারের কঠোর পদক্ষেপ।। আতংকে অপরাধীরা টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেফতার টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা জমিদার বাড়িতে দুইদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন

দূর্নীতির আখড়া টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস ।। তথ্য দিতে অপারগ।। অশোভন আচরণ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এখন দূর্নীতির আখড়া। অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন অনেকে।তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চাইলে টালবাহানা।করা হয় অশোভন আচরণ। এ বিষয়টি আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ভুক্তভোগী মনির হোসেন অশোভন আচরণকারী বিজন সাহার বিচার দাবি করেছেন।
উচ্চমান সহকারী বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় ‘ ক’ ফরমে তথ্য চেয়ে   আবেদন করেন জনৈক মনির হাসান। আবেদন গ্রহণ না করে ,  অশোভন আচরণ এবং দাপ্তরিক কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহীতা ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় একটি লিখিত আবেদন নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গেলে সেটি গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনীহা দেখানো হয়। একপর্যায়ে আবেদনটি গ্রহণ না করেই সেবা গ্রহীতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে।
শুধু তাই নয়, এ সময় সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অশোভন, অসৌজন্যমূলক ও আপত্তিকর আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের সরকারি দপ্তরের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারির প্রশ্ন—আইনের আওতায় কোনো নাগরিক লিখিত আবেদন নিয়ে এলে সেটি গ্রহণ ও বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের পরিবর্তে যদি তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার বাস্তবে কতটা নিশ্চিত হচ্ছে?
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর আচরণ নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় পুরো দপ্তরের সেবার মান ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী ভূক্তভোগী বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনটি কেন গ্রহণ করা হয়নি, আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব কার ছিল এবং সেবা গ্রহীতার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে ,বিজন সাহা তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল কালিহাতীতে চাকুরী করাকালীন সময়ের বিভিন্ন সেবাগ্রহিতার সাথে অহরহ অসদাচরন করেছেন।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভূঞার        ০১৭১২৮২১৫৮৮ নম্বরের  মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী মনির হোসেন জানান, বিধি মোতাবেক আবেদন করেছি। আবেদন গ্রহণ না করে আমার সাথে অন্যায্য আচরণ করা হয়েছে। “

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network