আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতীতে মাদক,মদ ,জুয়া , অবৈধ বালু উত্তোলন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তারের সময়োপযোগী কঠোর পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ। আতংকে রয়েছে অপরাধীরা। তাঁর ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে ইতিমধ্যেই সুফল ভোগ করা শুরু করেছেন কালিহাতীবাসী। সৎ ও সাহসী প্রশাসক ফারজানা আক্তার উপজেলার সচেতন মহলে আলোচিত ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন।অল্পসময় ধরে এই উপজেলায় যোগদান করলেও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে দূর্বার গতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সকাল নয়টার পূর্বেই অফিস কার্যক্রম শুরু করেন।কখনো প্রয়োজন অনুসারে নয়টার পুর্বেও অফিসে আসেন।
টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী উপজেলা কালিহাতীতে আগস্ট মাসে আইন অমান্যকারী ও বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিল উপজেলা প্রশাসন। মাসজুড়ে পরিচালিত ২৪টি মোবাইল কোর্টের ৭৩টি মামলায় মোট ১২ লাখ ৯ হাজার ৪৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ৪৯ জনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের মাসিক তথ্য অনুযায়ী আগস্টের প্রথমার্ধে ১২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ৩২টি মামলায় ৭ লাখ ১৭ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং ২২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আরও ১২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় ৪১টি মামলায় ৪ লাখ ৯২ হাজার ৩৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় এবং ২৭ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসনের এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, বাল্যবিবাহ নিরোধ, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ, জুয়া প্রতিরোধ, দণ্ডবিধি এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনসহ বিভিন্ন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সবচেয়ে বেশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ আইনে ৪৮টি মামলায় ৪৮ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আগস্ট মাসে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পৃথকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুটি মামলায় মোট ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান , ” জনস্বার্থে আইন বাস্তবায়ন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। মাদক, বাল্যবিবাহ, ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনসহ জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তারের সময়োপযোগী সঠিক পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তের কারণে উক্ত উপজেলায় অপরাধীরা আতংকে রয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে বলে সচেতন মহলের ধারণা।