আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার একটি মিথ্যা মামলায় খালাস পেয়েছেন কালিহাতী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক, সিনিয়র সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী।গত ২২ জানুয়ারি টাঙ্গাইল বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম প্রকাশ্য আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এই আদেশ দেন।মামলায় বাকী ছয়জন আসামীকেও খালাশ দেন আদালত।২০২১ সালে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মোছা:আসমা আক্তার বাদী হয়ে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী সহ ৭ জনকে আসামি করে কালিহাতী থানায় ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। কালিহাতী থানার মামলা নং ১৬ ।অপরাপর আসামীরা হলেন ফরিদ আহমেদ আব্বাসী, আমীন আহমেদ আব্বাসী, এনায়েত করীম,আনিসুর রহমান শেলী, শফিকুর রহমান স্বপন, সাইদুর রহমান সমীর।
উল্লেখ্য, দূর্নীতি, অনিয়মের বিরুদ্ধে লেখা-লেখি ও কথা বলার কারণে স্থানীয় তৎকালীন এমপি হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর সাথে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এমপি সোহেল হাজারী ২০২১ সালের ২৫ জুলাই উক্ত সাংবাদিককে তার বাসায় আসতে বলেন ।বাসার সামনে পৌঁছালে এমপি সোহেল হাজারীর নির্দেশে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি,সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ তোতা তার দলবল নিয়ে উক্ত সাংবাদিকের উপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা করেন। পরে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী কালিহাতী থানায় গেলে ওসি মামলা নিতে অস্বীকার করলে পরদিন ২৬ জুলাই পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ২৭ জুলাই আওয়ামীলীগের নেতা ও সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ তোতা তার ভাগনী আউলিয়াবাদ নিবাসী মোছাঃ আসমা আক্তারকে দিয়ে এমপির ক্ষমতা খাটিয়ে এই মিথ্যা মামলাটি এজাহারভুক্ত করেন। থানা পুলিশ প্রভাবিত হয়ে তদন্ত ছাড়াই আদালতে মিথ্যা চার্জশিট দাখিল করেন।
দীর্ঘ ৪ বছর ৭ মাস মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ, যুক্তিতর্ক শেষে বিজ্ঞ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসীসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট আজিজুর রহমান তালুকদার তোতা।
সাক্ষীজেরা,যুক্তি তর্ক সহ বিভিন্ন সময় আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বারের সাবেক সভাপতি মাঈদুল ইসলাম শিশির, শামীমুল ইসলাম শামীম, সাবেক জিপি আনন্দ মোহন আর্য্য, টাঙ্গাইল ‘ল ‘ কলেজের শিক্ষক হুমায়ূন কবির, মোবারক হোসেন,বজলুর রহমান, হুমায়ূন কবির,খন্দকার মনিরুল ইসলাম,মালেক আদনান প্রমুখ।