আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৫
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় মানব পাচারকারী, চাঁদাবাজ, এনজিও ব্যবসায়ী, প্রতারক ও ভুয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে এলেঙ্গার সচেতন জনসাধারণ।
রবিবার (১৭ ই আগস্ট) দুপুরে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলেঙ্গার ভুক্তভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
এলেঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রমজান আলীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মাছুদুর রহমান মিলন।
এতে একত্বতা ঘোষণা করেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি বাবু সুমন ঘোষ, সাংবাদিক মোল্লা মুশফিকুর মিল্টন এবং এলেঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর আহমেদ। জাতীয় পার্টি কালিহাতী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও অবসরপ্রাপ্ত আর্মি অফিসার আব্দুর রাজ্জাক, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম মোল্লা ও এলেঙ্গা পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলামিন মিয়া।
আরও একাত্মতা ঘোষণা করেন জেলা ছাত্র সমন্বয়ক মেহেদী হাসান ও হৃদয় মোল্লাসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য বৃন্দ, টাঙ্গাইল জেলা হকার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ মোল্লা, আলমগীর ও গাজিউর রহমান গাজীসহ সকল সদস্যবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এলেঙ্গা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। যে কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসা ও ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করানোর জন্য স্থানটি বেছে নেওয়া হয়। এখান থেকে দেশের যেকোন প্রান্তে যাওয়া যায়। যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গড়ে উঠেছে এ এলাকায়। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলছিল এই এলাকার জনসাধারণ। কিছুদিন পূর্বে মতিউর নামে একজন মানব পাচারকারী আদম ব্যবসায়ী, এনজিও ব্যবসায়ী সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা করে আসছিল। এর সাথে স্থানীয় দুই একজনকে লোভ দেখিয়ে সাথে রাখা হতো। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধি, ছাত্র সমন্বয়ের প্রতিনিধি, সাংবাদিক প্রতিনিধি দের ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করে আসছিল। কিছুদিন পূর্বে এলেঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সভাপতির মাধ্যমে চাঁদাবাজির টাকা ফেরত দেওয়ার প্রমানসহ বিভিন্ন অপকর্মের প্রমাণ রয়েছে। অবিলম্বে এই চাঁদাবাজ, আদম ব্যবসায়ী মতিউর গং দের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার না করা হলে টাঙ্গাইল জেলা সহ সারাদেশে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
উল্লেখ্য, চাঁদাবাজ মতিয়ার রহমান মতি ইতিপূর্বে ঘাটাইলে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটকের পর মুচলেকা এবং এলেঙ্গাতে চাঁদাবাজির পর টাকা ফেরত সহ মুচলেকা দেয়।